এক ফ্রেমে সুবর্ণা, আফজাল ও মেমি। ছবি : চ্যানেল আই।
(প্রিয়.কম) বিটিভির ৫২ বছর পূর্তি হল ২৫ ডিসেম্বর।
এদিন বিটিভি ৫২ বছর পার করে ৫৩-তে পা দিয়েছে। এ উপলক্ষে চ্যানেল আই
প্রতিবারের মতো এবারও আয়োজন করে ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠানের। চ্যানেল আই
প্রাঙ্গণ চেতনা চত্বরে আয়োজিত ‘গানে গানে সকাল শুরু’ অনুষ্ঠানে যোগদিতে
সকাল থেকে উপস্থিত হয়েছিলেন বিটিভির প্রবীন শিল্পী ও কলাকুশলিরা। যেন এক
মিলনমেলা। এ পর্বে গান গেয়েছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। গান পরিবেশনের
পাশাপাশি বিটিভির শুরু থেকে কাজ করা শিল্পী ও কলাকুশলিরা স্মৃতিচারণ করেন
অনুষ্ঠানে এসে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য সচিব মুর্তজা আহমেদ, বিটিভি’র মহাপরিচালক
হারুন রশীদ, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও
বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, প্রকৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চ্যানেল আই এর
পরিচালক মুকিত মজুমদার বাবু, বিটিভির সাবেক মহাপরিচালক সৈয়দ সালাহউদ্দিন
জাকী, বরেণ্য অভিনয়শিল্পী সৈয়দ হাসান ইমাম, দিলারা জামান, ড. এনামুল হক,
আতাউর রহমান, সুবর্ণা মুস্তাফা, আফজাল হোসন, বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী খালিদ
হোসেন, আজাদ রহমান, ইন্দ্রোমোহন রাজবংশী, মোস্তফা জামান আব্বাসী, টিভি
ব্যক্তিত্ব আলী ইমাম, বরকত উল্লাহ, মহিউদ্দিন ফারুক, কামাল লোহানী, আবদুল
মান্নান, আনোয়ারা সৈয়দ হক, সম্পাদক আবেদ খান, আবদুন নূর তুষার-সহ
সাংস্কৃতিক অঙ্গণের গুণীশিল্পীরা।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্মের পরের বছর সরকারি
প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশ, মাটি ও মানুষের কথা বলার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু
করে বাংলাদেশ টেলিভিশন। শুরুটা পাইলট প্রকল্প হিসেবে। সে সময় ডিআইটি ভবন
থেকে স্বল্প সময়ের জন্য সাদাকালো সম্প্রচার হতো। তিন বছর পর স্বায়ত্বশাসিত
প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বিটিভি। ১৯৭৫ এর ৯ই ফেব্র“য়ারি বিটিভি
রামপুরায় স্থানান্তর হয়। ১৯৮০ সালে দর্শকদের রঙিন পর্দা উপহার দেয়ার
মাধ্যমে নতুন যুগে পা রাখে বিটিভি। এখন বিটিভি ওয়ার্ল্ড এর মাধ্যমে দেশের
বাইরেও নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হয়েছে। বিনোদনের পাশাপাশি সরকারি গণমাধ্যম হিসেবে
শুরু থেকেই বাংলাদেশ টেলিভিশনের অন্যতম লক্ষ্য- তথ্য সম্প্রচার, শিক্ষার
বিস্তার এবং উন্নয়নে ভূমিকা রাখা। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিটিভি নাটকসহ
বিনোদন এবং তথ্যসমৃদ্ধ অনুষ্ঠান প্রচারের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
সংবাদ প্রচার করছে। আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের জন্য বাংলাদেশ
টেলিভিশন ২০০১ সালে এবিইউ এর সাহায্যে একটি ডিজিটাল গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন
করে। বিটিভি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে
বিশ্বমানচিত্রে দেশের উজ্জ্বল ছবি এঁকে যাবে বলে প্রত্যাশা সবার।